বৃহস্পতিবার, ০২ Jul ২০২৬, ১০:১৮ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

জিতলেন নৌকার মনু:ঢাকা-৫ উপনির্বাচনে ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ ভোটে

ভয়েস নিউজ ডেস্ক:

শনিবার অনুষ্ঠিত ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনে ভাট পড়েেছ ১০ দশমিক ৪৩ শতাংশ। এতে বিএনপির সালাহ উদ্দিন আহমেদকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে নৌকা প্রতীকে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগের কাজী মনিরুল ইসলাম মনু।

তবে নির্বাচনের কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন প্রত্যাখান ও পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন বিএনপি প্রার্থী।

বেসরকারি ফলাফলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকে পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬৪২ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ২ হাজার ৯২৬ ভোট। এ নির্বাচনে শতকরা ১০ দশমিক ৪৩ ভাগ ভোট পড়েছে।

ভোট শেষে শনিবার সন্ধ্যায় নির্বাচনী কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন বিএনপির সালাহ উদ্দিন আহমেদ।

তিনি বলেন, প্রায় সব কেন্দ্রেই আমাদের এজেন্টদের বের করে দেয়া হয়েছে। যেসব কেন্দ্রে এজেন্ট ঢুকেছে তাদেরও বের করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা কোনো পদক্ষেপ নেননি। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তাকে বারবার অবহিত করলেও তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি। আপনাদের মাধ্যমে আমরা এ অনিয়মে জর্জরিত অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করছি এবং পুনর্নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।

সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লার মৃত্যুতে শূন্য হয় আসনটি। শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ থেকে ঢাকা-৫ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করেন সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মনির হোসেন খা। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১৪টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত এ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ছয় প্রার্থী।

আওয়ামী লীগ ও বিএনপির দুই প্রার্থী ছাড়া অন্যরা হলেন জাতীয় পার্টির মীর আব্দুর সবুর, গণফ্রন্টের এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আনছার রহমান শিকদার ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির আরিফুর রহমান।

ভোটার উপস্থিত কম থাকা বিষয়ে শনিবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা শনিবার গণমাধ্যমকে বলেন, জাতীয় নির্বাচনে সারাদেশে ভোট হয়। এই নির্বাচনে ভোটারদের আগ্রহ কম থাকে। এ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হওয়ার জন্য সরকার পরিবর্তনের সুযোগ নেই। দুই বছর/আড়াই বছরের জন্য নির্বাচিত হবেন সে জন্য হয়তো প্রার্থী বা ভোটারদের মধ্য তেমন আগ্রহ নেই। পাশাপাশি করোনার একটি বিষয় তো রয়েছে। এ জন্য মানুষ আতঙ্কিত। মানুষ যেতে চায় না এ রকম একটা অবস্থা তো আছেই। এর মধ্যেও নির্বাচনের ট্রেন্ড ভালো। সূত্র:দেশরূপান্তর।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION